Hon'ble VC Delivers Speech in JUSTOA Meeting




যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানের করতে হলে, আঞ্চলিকতার কূপমন্ডুকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে কেবল যোগ্যদের লালন করবে, অন্য কারও নয়।

আজ শনিবার দুপুরে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স এসোসিয়েশন আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমি নিজে অন্যায় করব না। আমি নিজে ঘুষ খাব না। আমি নিজে সৎ থাকব। আমি নিজে প্রথম কাজটি করব। যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য মাটি খুঁড়তে হয়, তবে আমি প্রথম করব এবং আপনাদেরকে বলব আমার সাথে আসেন। আমি বিশ্বাস করি, আমার সুযোগ্য অফিসাররা আছেন তারা আমার সাথে কাঁধে কাধ মেলাবেন।’ আগামী চার বছরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রিসার্চ বিদ্যাপীঠ হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন তিনি।

অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় যে অঞ্চলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে তাদের অবদানই সবচেয়ে বেশি। তারা এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অংশ। যদি আপনারা বিশ্বাস করেন, যবিপ্রবি একটি আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হবে, তবে আঞ্চলিকতার কূপমন্ডুকতা থেকে সবাইকে বেরিয়ে আসতে হবে। আমরা এখানে শুধু যোগ্যতার লালন করব। যোগ্যতার বাইরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আর কেউ কোন কিছু পাবে না। প্রথমত: যোগ্যতা মাপকাঠি। দ্বিতীয় কথা যোগ্যতা মাপকাঠি। তৃতীয় কথা যোগ্যতা মাপকাঠি। চতুর্থ কথা যোগ্যতা মাপকাঠি। যোগ্যদের বাইরে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আর কারও অবস্থান থাকবে না, সে যত বড় শক্তিশালী হোক না কেন। আর তাকে যোগ্যতার সাথে সাথে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী হতে হবে।’

অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ এমদাদুল হকের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন যশোর যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ আবুল হোসেন, রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী আহসান হাবীব, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. আব্দুর রশীদ, প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ড. দীপক কুমার মন্ডল, সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) হায়াতুজ্জামান প্রমুখ। সংবর্ধনা অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন অফিসার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হেলালুল ইসলাম।