মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে যশোর শহরের মণিহারের সামনে বিজয় স্তম্ভে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। ছবি: জনসংযোগ শাখা, যবিপ্রবি

 

 

নানা কর্মসূচিতে যবিপ্রবিতে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন

সবাইকে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার যুদ্ধে শামিল হতে হবে: যবিপ্রবি উপাচার্য

 

 

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে যশোর শহরের বকুলতলায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। ছবি: জনসংযোগ শাখা, যবিপ্রবি

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচে অগ্রণী ব্যাংকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। ছবি: জনসংযোগ শাখা, যবিপ্রবি

 

 

যশোর (২৬ মার্চ): বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘এখন আর সামরিক যুদ্ধ নেই। তবে নতুন যুদ্ধ হচ্ছে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার। সবাইকে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার এই যুদ্ধে শামিল হতে হবে।’

আজ সোমবার বিকেলে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত ‘মহান স্বাধীনতা দিবস, ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস এবং স্বল্পোন্নত দেশের স্ট্যাটাস হতে বাংলাদেশের উত্তরণের যোগ্যতা অর্জনের ঐতিহাসিক সাফল্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ থেকে চিরতরে জঙ্গিবাদ নির্মূলের আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘জঙ্গিবাদ এবং চরমপন্থা সমাজের শান্তি বিনষ্ট করে। যারা উগ্রবাদকে মদদ দেয় এবং এর লালন করে সবাইকে মূলোৎপাটন করে বাংলাদেশকে একটি শান্তির জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি বনাম অগ্রণী ব্যাংকের মধ্যকার প্রীতি ম্যাচের কথা উল্লেখ করে অধ্যাপক আনোয়ার বলেন, ‘এ ধরনের প্রীতি ম্যাচ হলে পারস্পারিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বাড়ে। যোগাযোগ বৃদ্ধি পায়।’

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ আবুল হোসেন, অগ্রণী ব্যাংকের খুলনা সার্কেলের মহাব্যবস্থাপক মো: আনোয়ারুল ইসলাম।

এর আগে সূর্যোদয় ক্ষণে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালনের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে সকাল আটটায় সারাদেশের সঙ্গে একযোগে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে যশোর শহরের মণিহারের সামনের বিজয় স্তম্ভে, বকুলতলায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে যবিপ্রবি পরিবারের বিভিন্ন শাখা পুস্পস্তবক অর্পণ করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক থেকে বের করা হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। এরপরে বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের সাফল্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়। বেলা সাড়ে ১১টার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মসিয়ূর রহমানের হলের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত একটি পাঠকক্ষ উদ্বোধন করা হয়। বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে একাত্তরের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

চ্যাম্পিয়ন যবিপ্রবিশিস: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে যবিপ্রবি শিক্ষক সমিতি বনাম অগ্রণী ব্যাংকের মধ্যে একটি প্রীতি ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হয়। এতে চ্যাম্পিয়ন হয় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (যবিপ্রবিশিস)। এ ছাড়া কর্মকর্তা সমিতি বনাম কর্মচারী সমিতির মধ্যকার একটি প্রীতি ভলিবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে চ্যাম্পিয়ন হয় কর্মচারী সমিতি। বিজয়ী দলগুলোকে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন।

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানগুলোর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি এবং ছাত্র পরামর্শ ও নিদের্শনা দপ্তর।

 

 

 

 

বার্তা প্রেরক

মো: আব্দুর রশিদ

জনসংযোগ কর্মকর্তা

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়